দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হাজারো কর্মী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে অটোরোস্টার ও পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ইপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বুয়েসেলের কর্মকর্তারা।

বৈঠক শেষে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে এবং প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “আপনাদের পক্ষ থেকে যে ছয়জন প্রতিনিধি গেছেন, তারা পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আমাদের জানাবেন। প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও সচিব আজ বিকেল পর্যন্ত বসে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবেন। এরপর আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। আপনারা আমাদের কাজ করার সুযোগ দিন।”

তিনি আরও বলেন, নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের সহযোগিতা করা যায়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে পূর্বে লিখিত প্রস্তাবনা না দিয়ে সরাসরি আন্দোলনে নামায় কিছুটা হতাশাও প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “আগে আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো প্রস্তাবনা আসেনি। প্রস্তাবনা না দিয়েই রাস্তায় নেমে আসাটা দুঃখজনক।”

এদিকে, আন্দোলনরত ইপিএস উত্তীর্ণরা দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠানোর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

প্রাইমটিভি/কেআর