প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ভিত্তিহীন, যা হচ্ছে তা প্রতারণা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, কোথাও কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে যা করা হচ্ছে, তা কেবল সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা।
রোববার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাইবার অপরাধীরা ভূয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তিনি গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে তথ্য সত্য নয়, তা এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয় যাতে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। মানুষ যদি নিশ্চিতভাবে জানতে পারে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, তবে তারা প্রতারকদের ফাঁদে পা দেবে না।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে দুই মাসের প্রশিক্ষণ শেষে দ্রুত বিদ্যালয়ে যোগদান করানো হবে।
নতুন শিক্ষাক্রম পরিকল্পনা: ২০২৮ সাল থেকে নতুন দক্ষতাভিত্তিক জাতীয় শিক্ষাক্রম চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রতিটি বিষয়ের জন্য শিক্ষক গাইড, ওয়ার্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড ও ভিডিও লেসন চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রাইমটিভি/বিএম

ডেস্ক রিপোর্ট
© ২০২৬ প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।








