বিশ্বকাপে রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন এবং ফাইনাল শেষে মাঠে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে ফিফা।

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা ‘Las Malvinas son Argentinas’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন, যা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্বের দাবির প্রতীক। যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বিরোধপূর্ণ এ দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ১৯৮২ সালে রক্তাক্ত যুদ্ধ হয়েছিল। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো ফুটবল প্রতিযোগিতায় রাজনৈতিক বা অ-ক্রীড়াসংক্রান্ত বার্তা প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ব্যানারটির কঠোর বিরোধিতা করলেও মার্কিন প্রতিনিধিরা খেলোয়াড়দের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষ নেন। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেও একই কাজের জন্য জরিমানা গুনেছিল আর্জেন্টিনা।

এছাড়া, সেমিফাইনালের এ ঘটনার বাইরেও এএফএ-এর বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক স্লোগান, নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘন এবং দর্শকদের উস্কানিমূলক আচরণের মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, স্পেনের কাছে ১-০ গোলে ফাইনাল হারার পর মাঠে সৃষ্ট গোলযোগের ঘটনায় তদন্তের মুখে পড়েছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নাহুয়েল মোলিনা ও সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা। পাশাপাশি স্পেনের মিডফিল্ডার গাভির বিরুদ্ধেও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনেছে সংস্থাটি। বর্তমানে অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে; তাদের লিখিত বক্তব্য পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি।

প্রাইমটিভি/বিএম