যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক অভিযানে ইরানের নৌ, বিমান ও স্থলবাহিনী ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, ধারাবাহিক আক্রমণের ফলে দেশটির ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতাও এখন তলানিতে ঠেকেছে। ফলে খুব শিগগিরই ইরানের উল্লেখযোগ্য কোনো সামরিক সক্ষমতা আর অবশিষ্ট থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তেহরানের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ট্রাম্প বলেন, ইরান তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চুক্তির কোনো শর্তই মেনে চলেনি।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সাইবার হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওই হামলার পেছনে ইরানের হাত রয়েছে বলে দাবি উঠলেও ট্রাম্প বিষয়টি অস্বীকার করে মিনেসোটার স্থানীয় প্রশাসনকেই 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' আখ্যা দিয়ে তাদের ওপর দায় চাপান।

অভিবাসন ইস্যুতে ইউরোপের পরিস্থিতি উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেন, স্পেনে বিপুলসংখ্যক বিদেশি অভিবাসী প্রবেশ করায় সংকট তৈরি হয়েছে এবং সতর্ক না হলে যুক্তরাষ্ট্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

নিজের প্রশাসনের সাফল্য তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, তার দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি দেশে অভ্যন্তরীণ শান্তি বজায় রাখা এবং নাগরিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তার প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রাইমটিভি/বিএম