আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫

ছবি:সংগৃহীত
রাজ্যের ‘ডিজাস্টার রিপোর্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (ডিআরআইএমএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, শিবসাগর, জোড়হাট, চরাইদেও, গোলাঘাট, নগাঁও, কামরূপ ও শোনিতপুর বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার।
সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, অন্তত ৬২২টি গ্রামের মানুষ বন্যার কারণে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া প্রায় ৪৫ হাজার ৩৪২ হেক্টর ফসলি জমি এখনও পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একটি শিবসাগর জেলার নাজিরা বিধানসভা এলাকার নেপালিকুটি গ্রাম। স্থানীয়দের ভাষ্য, গত ১৯ জুলাই দিখৌ নদীর পানি গ্রামে ঢুকে পড়ার পর বহু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পদ হারিয়েছে। প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে খাদ্যশস্য, প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং গবাদি পশু।
স্থানীয় বাসিন্দা কৃষ্ণ শর্মা বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, বন্যায় গ্রামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেকের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে, গবাদি পশু নিখোঁজ হয়েছে এবং অসংখ্য পরিবার খাবার, আশ্রয় ও জীবিকা হারিয়ে চরম সংকটে পড়েছে।
তিনি জানান, পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও কৃষিজমির ক্ষয়ক্ষতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
প্রাইমটিভি/এমআর

ডেস্ক রিপোর্ট
© ২০২৬ প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।








